Exiled (2006)-মুভি রিভিউ-এ ক্লাসিক গ্যাংস্টার সিনেমা!

Exiled (2006)-মুভি রিভিউ-এ ক্লাসিক গ্যাংস্টার সিনেমা!

আজকে হলিউড,বলিউড এর বাইরে প্পুলার কিন্তু আমাদের দেশে তুলনা মূলক কম পপুলার একটা ইন্ড্রাস্ট্রির মুভি নিয়ে লিখছি।সাধারনত বিশ্ব সিনেমায় অনেক পপুলার হলেও আমাদের দেশের আমজনতার কাছে কিছুটা অপরিচিতই!

Advertising

আপনি যদি নিজেকে ক্রাইম-থ্রিলার লাভার ভাবেন,কিন্তু জনি টোকে চিনেন না বা তার নাম শুনেনই নাই,তাহলে আপনার জন্যে  রইলো অগ্রিম সমবেদনা।

মুভিটি নিয়ে কিছু বলার আগে হংকং এর চলচিত্র ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে কিছু কথা বলে নেই! হংকং চায়নার অংশ হলেও চায়নিজ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আর হংকং এর নিজস্ব ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি দুটো কিন্তু আলাদা। এবং দুই ইন্ড্রাস্ট্রির ফিল্ম আলাদা আলাদা ভাবে একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলে আপনি ডিফারেন্ট টা ধরতে পারবেন। হংকং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি প্রচুর প্রচুর মাস্টারপিস মুভি উপহার দিয়েছে চলচিত্র জগতকে। আমাদের দেশে ইস্ট এশিয়ার এই ইন্ড্রাস্ট্রির কোন ফ্যান নাই বললেই চলে। ফলে এই ইন্ড্রাস্ট্রির তারকাদের ও আমরা খুব একটা চিনি ও না।
তাই এখন থেকে আমি চেস্টা করব আপনাদের জন্যে বাছাই করা কিছু হংকং ফিল্ম এর রিভিউ দিতে।এইজন্যে আপনাদের মতামত জানাতে ভুলবেন না।

এশিয়ান ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি গুলিতে যে কটা হাতে গোণা ক্লাসিক গ্যাঙ্গস্টার মুভি আছে তার মধ্যে এইক্সাইলড এর কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করতেই হবে।এর জনরা হলো ক্রাইম-থ্রিলার।তবে আমি একে গ্যাঙ্গস্টার সিনেমাই বলব।

ছবির গল্প অনেকটা এরকম হয় একজন সাবেক গ্যাং-স্টার এর বাড়িতে তাকে খুজতে আসে তারই বন্ধু চার গ্যাংস্টার।এর মধ্যে দুইজন চায় তাকে খুন করতে,এবং বাকী দুইজন চায় তাকে বাঁচাতে।কেন মারতে চায়,কেন বাঁচাতে চায়,কার থেকে বাঁচাতে চায়,পরে কেন এক হয় এইসব নিয়েই কাহিনি আবর্তিত!
এই চার গ্যাঙ্গস্টার এর রোলে আছেন এন্থনি ওয়াং,ফ্রান্সিস উং,রয় চিউং এবং লাম সুয়েট।এই চারজনকে আবার গ্যাঙ্গ-স্টার মুভির আইকনিক চরিত্র বলে ধরা হয়।
ফ্রান্সিস উং এবার অনেক দুর্দান্ত ছিলেন।একেবারে ফিউরিয়াস যাকে বলে! সত্য বলতে যখন আমি যখন  দেখতে বসলাম তখন কাস্টিং কারেক্টার গুলো দেখে চোখ কপালে উঠে গিয়েছিলো।এক গ্যাংস্টার গানফায়ার মুভির জন্যে এর চাইতে ভাল চয়েস আর হতেই পারে না।

এই মুভিতে হংকং এর আরেক তারকা রিচি জেন এর স্পেশাল এপিয়ারেন্স ও আছে।অল্প সময়ের জন্যেই ছিলেন,যতক্ষনই ছিলেন,যাকে বলে পুরাই কুউউউল!

এই মুভিটি পরিচালনা করেছেন হোল এশিয়ার মোস্ট ট্যালেন্টেড ডিরেক্টরদের মধ্যে একজন টনি টো।একজন হংকং ফিল্ম লাভাররের জন্যে মুভিটি দেখার জন্যে শুধু জনি টো নামটাই যথেস্ট। যারা এর আগে রানিং আউট অব টাইম,ইলেকশন, দ্য মিশন,ফুলটাইম কিলার,এ হিরো নেভার ডাইস মুভি গুলো দেখেছেন তারাই বলতে পারবেন জনি টো কি জিনিস।আমি বলব হি ইজ এ লেজেন্ড,হোয়েন হি মেকিং অ্যা গ্যাং-স্টার ফিল্ম!
যারা ক্রাইম-থ্রিলার জনরার মুভি পছন্দ করেন তাদের জন্যে জনি টো’র মুভি গুলো হতে পারে অমৃতের মত!

এই মুভির আইএমডিবি রেটিং ৭.৩ এবং রটেন টমাটোতে ৮০% স্কোর এবং মেটা ক্রিটিকস এ ৭৩ নিয়ে সমালোচক ও দর্শক উভয় মহলে বেশ ভালই সুনাম কুড়িয়েছে।

তো অনেক বকবক করে ফেললাম।থ্রিলার লাভার হলে তো অবশ্যই দেখবেন,না হলেও দেখবেন,কেননা এর পর গ্যাং-স্টার মুভির ফ্যান হয়েও যেতে পারেন!এই ছবির জন্যে ইস্ট এশিয়ান সিনে টকিজ গ্রুপের দিশান ভাই একটা বাংলা সাবটাইটেল ও তৈরি বানিয়েছেন।কাজেই ইংরাজি বুঝি না বলে দেখতে পারব না,এমন আফসোসে মরার সুযোগ নাই।

তো এই ছিল আজকের মত।আবার ব্যাক করার, আগ পরযন্ত ধুমসে মুভি দেখতে থাকুন।কি আছে আর জীবনে! চিল!!

May 15, 2019 - Posted by Shujon - No Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *