Red Sparrow মুভি রিভিউ উইথ বাংলা সাবটাইটেল

Red Sparrow মুভি রিভিউ উইথ বাংলা সাবটাইটেল

হ্যালো বিচেস! আম ব্যাক!!
প্রথম রিভিউটা কন্নড়া ইন্ড্রাস্ট্রির চলচিত্র গোদাছরি দিয়ে শুরু করছিলাম। এবার আর পুরনো মুভি নয়, আপনাদের সামনে আজকে উপস্থাপন করছি চলতি বছরের মুভি,রেড স্প্যারোর স্পয়লার ফ্রি রিভিউ!

Advertising

ছবির কাহিনি আবর্তিত হয় ডমিনিকা এগোরোভা নামে এক নৃত্য শিল্পীকে নিয়ে ,যে কিনা স্বপ্ন দেখত একদিন রাশিয়ার সেরা ব্যালে ড্যান্সার হওয়ার।  সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছিলো,স্টেজ শো গুলিতে তার ব্যালে পারফরমেন্স দেখিয়ে।

কিন্তু হটাত একটা দুর্ঘটনায় তার তার জীবনটা বদলে যায়।ব্যালে ড্যান্সার থেকে নিতান্তই ইচ্ছের বিরুদ্ধে এবং স্পাই এর ভুমিকায় নামতে বাধ্য  করে তারই নিজের আংকেল।তার উপর দায়িত্ব দেওয়া হয় রাশিয়ার ভিতরে লুকিয়ে থাকা একজন আমেরিকান এজেন্টকে খুজে বের করার।

ব্যস
আমি কাহিনি নিয়ে এর বেশী কিছু বলব না। কারন বললেই স্প্যয়লার  ট্যাগ খেতে হবে,

তবে মুভি দেখে যা মনে হইলো যারা এর আগে এটোমিক ব্লন্ড মুভিটি দেখে হাততালি দিয়েছিলেন তারা এবার ও হাততালি দিবেন!আর যাদের কাছে এটোমিক  ব্লন্ড মুভিটি ভাল্লাগে নি,তাদের কাছে এটাও অতটা ভাল লাগবে কিনা আমি বলতে পারছিনা।

জনরার দিক দিয়ে এটাকে অনেকে ম্যাট ডেমনের জেসন বর্ন এর সাথে তুলনা করছিলেন,আমি অবশ্য এর সাথে একমত নই কোনভাবেই। তবে দুটোই স্পাই থ্রিলারের মধ্যে পড়ে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
তবে দেখতে বসার আগে আগেবাগেই সাবধান করে দিচ্ছি,মুভিতে প্রচুর প্রচুর বিবাহিত দৃশ্য আছে,তাই দেখার সময় দরজা জানালা সহ সবকিছু বন্ধ করে দেখা উচিত।

মুভির মেইন ক্যারেক্টার ডমিনিকা এগোরোভা র রূপ দিয়েছেন দ্য স্টানিং বিউটি জেনিফার লরেন্স! হলিউডে যতগুলি জেনিফার রয়েছেন তাদের প্রতি রেসপেক্ট দেখিয়েই বলছি, জেনফার লরেন্স ইজ মাই ফেভারিট জেনিফার! ক্যারিয়ার রাইজিং মোমেন্টে মাদার এর মত ডিপ সাইকোলজিকাল মুভি করার দুঃসাহস তো আর সবার থাকে না।
মুভিতে অনেক প্রচুর প্রচুর বোল্ড সিন থাকার পরেও পুরো আলো টুকুই জেনিফারই একা কেড়ে নিয়েছেন!
গ্রাফিক ভায়োলেন্স এবং প্রচুর নুডিটি নিয়ে আমার মন্তব্য নেই,আফটার অল যতক্ষন পর্দায় জেনিফার লরেন্স ছিলেন ততক্ষনই ভালো লাগছিলো আমার!
এছাড়া আছেন জোয়েল এডগার্টন,অসম্ভব ট্যালেন্টেড একজন অভিনেতা, যদিও এই মুভিতে তিনি পার্শ্ব-চরিত্র হয়েই ছিলেন।খুব একটা করার কিছু ছিল না।কারন কাহিনি পুরোটুকুই জেনিফারকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে!

তবে Red Sparrow আমার অনেক ভাল লেগেছে। টানটান উত্তেজনায় পরিপুর্ন না হলেও সাসপেন্স ছিল অনেক!অনেক ভালো একটা গল্প লুকিয়ে আছে,বাট স্টোরি টেলিং খুব একটা ভাল বলব না,আর স্লো হওয়ার কারনে অনেকের কাছে ফালতু মনে হতে পারে।
ফ্রান্সিস লরেন্স পরিচালিত মুভিটি নির্মিত হয়েছে জন ম্যাথুসের একই নামের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে। অবশ্য এই মুভিটি লেজেন্ডারি ডিরেক্টর ডেভিড ফিঞ্চারের বানানোর কথা ছিল।যা শেষ অবদি হয়নি। তিনি বানালে যে আরো দারুণ হতো এতে আমার কোন সন্দেহ নেই।!

আগের মুভিগুলোর মত এই ছবির ও বাংলা সাবটাইটেল আছে।সাবটাইটেলের মান ও অনেক ভালো মনে হয়েছে আমার কাছে।কাজেই চাইলে বাংলা সাব দিয়েও দেখতে পারেন।
তো এই ছিল রেড স্প্যারোর রিভিউ।ভুল টুল কিছু বকে থাকলে শুধরে দিতে পারেন।
হ্যাপি ওয়াচিং!

May 15, 2019 - Posted by Shujon - No Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *